নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের আধিক্য কমাতে হলে অন্যদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু টাকার খেলা বন্ধ না হলে তাদের অংশগ্রহণ বাড়বে না। চার সিটিতে গত নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী ছিল ৪৬জন। অথচ এবার ছিল মাত্র ১২ জন। অর্থাৎ প্রার্থী কমে গেছে। জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ মানুষের পক্ষে টাকা ছড়ানো সম্ভব নয়। ফলে সেখানকার অবস্থা আরও খারাপ। রাজনীতিও খারাপ হয়ে গেছে। রাজনীতিকরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা করেন না। রাজনৈতিক দলগুলোও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রনে চলে গেছে। অপরাধের রাজনীতিকরণ হয়েছে, আাবার রাজনীতির আপরাধীকরণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত অন্যান্য নাগরিকদের প্রার্থী করা। কিন্তু এখন প্রার্থী করা হয় কে জিতে আসতে পারবে সেই ভিত্তিতে। আর ব্যবসায়ীরা টাকার খেলায় জিতে যান। এটা বন্ধ করতে হবে কঠোরভাবে। সংসদ নির্বাচনে টাকা ব্যয়ের পরিমাণ ১৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিলে তা ব্যবসায়ীদেরকে আরও উৎসাহিত করবে। এটা আরও কমানো উচিত বলে তিনি মত দেন।
তথ্যসূত্র: দৈনিক মানবজমিন
তাং-২৪-০৬-২০১৩
নির্বাচনে টাকা খরচ ব্যবসায়ীদের কাছে বিনিয়োগের মত: ড. বদিউল আলম মজুমদার
সুশাসনের জন্য নগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ব্যবসায়ীদের রাজনীতি আসার পেছনে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলো ভূমিকা রাখছে। নির্বাচনে টাকার খেলা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা বলেই এই অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে। এখন স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচনে টাকা খরচ করাটা ব্যবসায়ীদের কাছে বিনিয়োগের মতো। নির্বাচনে তারা টাকা বিনিয়োগ করে। পরে এমপি নির্বাচিত হলে এই পদ ব্যবহার করে বহুভাবে তারা লাভবান হয়। অবৈধভাবে নানা সুযোগ সুবিধা আদায় করে। এগুলো কঠোরভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে উদ্যোগ নিতে হবে বলে তিনি জানান। মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও বলেন,


Leave a Reply